ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম বলেন, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরো এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আসামি জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা পেশায় পোশাকশ্রমিক, বাবা ফল বিক্রেতা। তিন বছর আগে নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার সঙ্গে পরিচয় হয় জাহাঙ্গীর আলমের। পরে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। একপর্যায়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য স্কুলছাত্রীকে চাপ দিতে থাকেন জাহাঙ্গীর। এতে রাজি না হওয়ায় তার ছবি এডিট করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। পরে বাসায় একা পেয়ে স্কুলছাত্রীকে কয়েকবার ধর্ষণ করেন জাহাঙ্গীর।
.png)
ঐ ঘটনায় নগরের ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা। মামলাটির তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগপত্র জমা দিলে ২০২২ সালের ২০ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। মামলাটিতে সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।