বৃহস্পতিবার (২ মে) বিকেলে কুয়াকাটার জিরো পয়েন্টের পশ্চিম পাশে ডলফিনটি দেখতে পায় একজন ট্যুর গাইড।
ট্যুর গাইড আব্দুল জলিল জানান, সৈকত এলাকা থেকে যাওয়ার পথে ডলফিনটিকে এখানে পড়ে থাকতে দেখি। ডলফিনটির শরীরের চামড়া সম্পূর্ণ ওপরে উঠানো। পরে আমি ডলফিন রক্ষা কমিটিকে খবর দেই।
.png)
সমুদ্রের নীল অর্থনীতি, উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ইরাবতী ডলফিনের এই বাচ্চাটির মাথার কাছে স্পষ্ট একটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেখান থেকে রক্তক্ষরণের কারণেই ওর মৃত্যু হতে পারে। আমরা এগুলো নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছি।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, নিরাপদ স্থানে ডলফিনটিকে মাটি চাপা দিয়েছেন বনবিভাগ ও ব্লু-গার্ডের সহায়তায় আমাদের সদস্যরা।