নিহত আল আমিন গাজীপুর মহানগরের চান্দনা এলাকার বাসিন্দা আক্তার আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলেন।
নিহতের ভগ্নিপতি ইকবাল হোসেন জানান, দুপুরে আল আমিনসহ চারজন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট চত্বরে বেড়াতে যান। ৪-৫ জন ছিনতাইকারী প্রথমে তাদের নাম-পরিচয় জানতে চায়। এরপর তারা সঙ্গে যা যা আছে তাদের দিতে বলে। একপর্যায়ে আল আমিনের কাছে থাকা মোবাইলটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। আল আমিন তাদের বাধা দিলে তার বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করে খালাতো ভাই শাকিল আহমেদের মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
.png)
আল আমিনের সঙ্গে থাকা বন্ধু মোমিনুল হক জানান, দুপুর ১২টার দিকে আল আমিন, তার খালাতো ভাই শাকিল আহমেদ (২১), ছোট ভাই আতিক (১৪) ও আমি ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট চত্বরে বেড়াতে ও ছবি তুলতে যাই। পরে সেখানে আমরা ছিনতাইকারীর কবলে পড়ি। এ সময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আল আমিন আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসকদের গাফিলতির কারণে সেখানে ভর্তি অবস্থায় দুপুরে ১টার দিকে আল আমিন মারা যান।
গাজীপুর সদর থানার ওসি রাফিউল করিম রাফি জানান, আল আমিন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।