শুক্রবার (১৭ মে) এ বিষয়ে কাজিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নিজেই। অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ ভবানীপুর টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সহকারী শিক্ষক।
জানা যায়, মা মারা যাওয়ার পর অসুস্থ বাবাকে দেখভাল করার জন্য স্বামীর অনুমতি নিয়ে বাবার বাড়িতে যান মেয়ে। বাবাকে সুস্থ করতে চিকিৎসার পাশাপাশি সেবা করতে থাকেন তিনি। বাবার বাড়িতে যাওয়ার পর থেকেই প্রতিবেশী আব্দুর রশিদ আসা-যাওয়া শুরু করেন। বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন অজুহাতে ভুক্তভোগীর বাড়িতে যান তিনি। এরই মাঝে একদিন তার বাবা ওষুধ আনতে বাজারে গেলে সেই সুযোগে রশিদ তাদের বাড়িতে ঢুকে পড়েন। ভুক্তভোগী তখন বাড়ির উঠান ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। সেসময় তাকে ঘরে নিয়ে গিয়ে জোর করে ধর্ষণ করেন রশিদ এবং ফোনে তা ভিডিও ধারণ করে রাখেন।
.png)
সেই ভিডিও দিয়ে ব্লাকমেইল করতে থাকে আব্দুর রশিদ। আর গোপন ভিডিওর ভয় দেখিয়ে একের পর এক ধর্ষণ করতে থাকে ভুক্তভোগীকে। একপর্যায়ে ঘটনাটি জানাজানি হলে তার অভিভাবকরা এলাকার মুরুব্বিদের জানিয়েও বিচার না পেয়ে বাধ্য হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে তার মোবাইল ফোন নম্বরে বারবার কল করলেও ফোন রিসিভ হয়নি।
কাজিপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।