ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মায়ের স্বপ্ন পূরণে হেলিকপ্টারে চড়ে বউ আনলেন প্রবাসী মহসিন

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:২৯, ২২ মে ২০২৪
মায়ের স্বপ্ন পূরণে হেলিকপ্টারে চড়ে বউ আনলেন প্রবাসী মহসিন
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মায়ের শখ ছিল ছোট ছেলে বিয়ে করতে যাবে হেলিকপ্টারে চড়ে। মায়ের সেই স্বপ্ন পূরণ করতে হেলিকপ্টারে চড়েই বিয়ে করতে যান মহসিন তালুকদার নামে এক প্রবাসী। নববধূকে নিয়েও আসেন শ্বশুরবাড়ি থেকে হেলিকপ্টারে চড়িয়ে।

বুধবার (২২ মে) বিকেলে বর যখন নববধূকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে আসেন, তখন আশপাশে লোকজনের ভিড় লেগে যায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভার তালুকদার কান্দি গ্রামের আব্দুল খালেক তালুকদার ও জবেদা বেগম দম্পতির ছেলে মহসিন তালুকদার। মহসিন ৯ বছর ধরে মালেশিয়া থাকেন। সম্প্রতি তিনি বিয়ের করার জন্য দেশে আসেন।

Advertisement

মহসিন তালুকদারের সঙ্গে একই উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের চরলক্ষীকান্তপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদারের মেয়ে পলি আক্তারের বিয়ে হয়। বুধবার দুপুরে কনে পলি আক্তারের বাড়িতে এই দম্পতির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হয়। পরে শ্বশুর বাড়ি থেকে হেলিকপ্টারে চড়ে বর মহসিন তালুকদার রওনা দেন নিজ বাড়িতে।

বিকেল ৫টার দিকে বিয়ের সব আয়োজন শেষ করে কনে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে নিজ বাড়ি ফিরে আসেন মহসিন। এসময় স্বজনেরা বর-কনেকে বরণ করে নেন। হেলিকপ্টারে চড়ে আসা বর-কনে দেখতে স্থানীয় গ্রামের লোকজন তাদের বাড়ির সামনের খোলা মাঠে ভিড় করেন।

শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। হেলিকপ্টারে চড়ে আসা নববধূ ও বরকে দেখতে কৌতূহলী লোকজন ভিড় করেন। সুশৃঙ্খল পরিবেশে বর হেলিকপ্টারে করে নববধূকে নিয়ে আসলে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তা দেন।

তালুকদার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা রোকসানা আক্তার বলেন, মহসিন মালেশিয়া প্রবাসী। তার মার শখ ছেলের বরযাত্রা হেলিকপ্টারে হবে। তাই দেশে এসে বিয়ের এ আয়োজন করেন। আমাদের এলাকায় হেলিকপ্টারে চড়ে বর-কনে এসেছে। তাই আমরা দেখতে এসেছি।

বরের মা জবেদা বেগম বলেন, আমার চার ছেলে তিন মেয়ে। ছোট ছেলের বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখতে। আর নববধূকে বরণ করে আনতেই হেলিকপ্টার ভাড়া করা হয়। ছেলে হেলিকপ্টারে করে নববধূকে নিয়ে আসায় আমি খুবই খুশি।

বর মহসিন তালুকদার বলেন, মায়ের শখ ছিল আমি হেলিকপ্টারে করে বউ আনি। তাই মায়ের শখ পূরণ করেছি। শখ পূরণ করতে পেরে খুবই ভালো লাগছে।

কনে পলি আক্তার বলেন, আমি আগে পরে কখনও হেলিকপ্টারে উঠিনি। এই প্রথম উঠলাম। অনুভূতিটা খুবই ভালো ছিলো। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!