এছাড়াও দুর্যোগকালীন ব্যবহার উপযোগী কিটসই একাধিক ভবন চিহ্নত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। আর প্রতিকূল আবহাওয়ায় খাদ্য ও শুকনা খাবার মজুদ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে ৩১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তবে ১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হওয়ার বার্তায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসীন্দাদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
.png)
লালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বলেন, আমার এলাকায় ১৪টির বেশি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত করা হয়েছে। কিন্তু জলোচ্ছ্বাস হলে ইউপির মুন্সিপাড়া এবং মেরাউপাড়া এলাকায় বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে পানি প্রবেশের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। আর প্লাবিত হলে লবণ পানির প্রভাবে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। কন্ট্রোল রুম, মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হলে দ্রুত গাছ অপসারণের জন্য আলাদাভাবে ফায়ার সার্ভিস এবং স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হবে। এছাড়াও দুর্যোগকালীন সময়ে আশ্রয়ণ কেন্দ্রে নিরাপদে আসা মানুষদের জন্যও সব রকম প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করেছি।