যশোরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাদিকে জানান, জেলার সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে একটি করে মেডিকেল টিম। এর মধ্যে জেলা হাসপাতালসহ ৮ উপজেলায় ৮টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। একইসঙ্গে সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ১ থেকে ২ জন করে অতিরিক্ত জনবল নিযুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে জেলার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে।
যশোর জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাস কর্মকর্তা মোহাম্মদ দ রিজিবুল ইসলাম বলেন, জেলার ১২৮৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৯৫৬টি মাধ্যমিক, মাদরাসা ও কলেজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে। একইসঙ্গে প্রর্যাপ্ত চাল, শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ রাখা হয়েছে।
.png)
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে ২০ মে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পানে’ ঘরের ওপর গাছ পড়ে যশোরে মা-মেয়েসহ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে শার্শা উপজেলায় চারজন, চৌগাছায় দুজন, বাঘারপাড়ার একজন ও মণিরামপুর উপজেলার পাঁচজন ছিলেন।