ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

চেয়ারম্যানের পেটে নদীর ৫০ বিঘা জমি

মেহেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:৪২, ২৭ মে ২০২৪
চেয়ারম্যানের পেটে নদীর ৫০ বিঘা জমি
ইছামতি নদী জবর দখল করে আবাদ করছেন তেঁতুলবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা বিশ্বাস। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়ীয়া গ্রাম সংলগ্ন শত শত বছর আগের প্রমত্তা ইছামতি নদী জবর দখল করে আবাদ করছেন তেঁতুলবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা বিশ্বাস। 

গাংনী উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, তেঁতুলবাড়ীয়া গ্রাম সংলগ্ন ইছামতি নদীর জমি সরকারি সম্পত্তি। তেঁতুলবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা বিশ্বাসের বাবা সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত নূরুল হুদা বিশ্বাস সরকারের কাছ থেকে এ সম্পত্তি লিজ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সরকারের নামে রেকর্ড হলে, তার ছেলেরা সরকারের নামে রিট করেন। সেই মামলা আজও চলমান। অথচ মামলায় স্বপক্ষে রায় পাওয়ার কথা বলে এলাকাবাসীকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাদের নিজের জমি বলে জবর দখল করে আসছেন চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা বিশ্বাস।

জানা গেছে, ইছামতি নদীর নাব্য হারানোর কারণে শুকনো মৌসুমে ধান গমের আবাদ এবং ভরা বর্ষায় এলাকার পাট চাষিদের পাট জাগ দিয়ে হাজার হাজার টাকা আয় ও বিঘাপ্রতি ১৫ থেকে ২০ আটি পাট নিয়ে অর্থবাণিজ্য করে থাকেন ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে অবৈধ টাকার পাহাড় গড়েছেন তিনি।

Advertisement

সম্প্রতি ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তেঁতুলবাড়ীয়া ইউপি সদস্য দিপালী খাতুন গাংনী উপজেলা চেয়ারম্যান ও গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা বিশ্বাস বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) প্রীতম সাহা বলেন, লিখিত অভিযোগটি পেয়েছি। সরেজমিন তদন্ত করার ব্যাপারে একটি কমিটি করে দেওয়া হবে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গাংনী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক বলেন, লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: মেহেরপুর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!