এর আগে, এলজিইডি জেলা কার্যালয় থেকে সড়কটির সংস্কার কাজের নথিপত্র সংগ্রহ করে দুদক। তিন কিলোমিটার সড়কটি সংস্কারে ব্যয় ধরা হয় ৪ কোটি টাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংস্কারের পর এক সপ্তাহ না যেতেই উঠে যায় সড়কের কার্পেটিং। হাত দিয়ে কার্পেটিং উঠাতে দেখা গেছে স্থানীয়দের।
এ ব্যাপারে দুদকের মাদারীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান বলেন, সড়কটির সংস্কার প্রজেক্ট ছিল। এখানে অভিযোগ ছিল নিম্নমানের কাজ করে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কাজের মান যাচাই করার জন্য আমরা স্যাম্পল (নমুনা) নিয়েছি। আমরা ল্যাব টেস্ট করবো, টেস্ট করার পর রিপোর্ট কমিশনে পাঠিয়ে দেবো। রিপোর্ট পাওয়া ছাড়া আমাদের কিছু বলার সুযোগ নেই।
.png)
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- দুদকের মাদারীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান, শরীয়তপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম রাফেউল ইসলাম, ঠিকাদার রাশেদ উজ্জামান প্রমুখ।