‘যারে ভোট দিলাম তারে যেন আল্লাহ পাস করায়’
আজাহার মুন্সীর বয়স ৭৫। তার বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের মাঠবাড়ি গ্রামে। বয়সের ভারে অনেকটা ন্যুব্জ হয়ে পড়েছেন তিনি।
বুধবার সকালে ভাঙ্গা উপজেলার গঙ্গাধরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে ভোট দিতে আসেন তিনি।
এ সময় আজাহার মুন্সী বলেন, ‘আমার এই বয়সে মেলা বার ভোট দিছি। কোনো সময় আমার পছন্দের প্রার্থী জিতছে, আবার হেরে গেছে। এখন যে বয়স হইছে আমার, তাতে মনে হয় এটাই শেষ ভোট, আর বাঁচবো কিনা জানি না। দোয়া করি যারে ভোট দিলাম তারে যেন আল্লাহ পাস করায়।’
তিনি ভোট দেওয়া শেষ করে কেন্দ্র থেকে বের হচ্ছিলেন, এ সময় তাকে সহযোগিতা করতে আনসার বাহিনী সদস্য ও পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে যান। তার হাত ধরে আস্তে আস্তে করে তাকে অটোতে তুলে দেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা।
এই কেন্দ্রটিতে বয়স্ক আজাহার মুন্সির মতো অনেকেই ভোট দিতে আসেন। সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পেরে তারা খুশি।
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দুটি উপজেলায় (ভাঙ্গা ও সদরপুর) নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বুধবার (২৯ মে) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দেখা গেছে চোখে পড়ার মতো।
নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা জিয়াউল হক খান বলেন, দুটি উপজেলায় ৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১৬৭টি, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।