ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]
দুদকের মামলা

স্ত্রীসহ ট্রাফিক সার্জেন্টের অবৈধ অঢেল সম্পদ 

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:০৫, ২৯ মে ২০২৪
স্ত্রীসহ ট্রাফিক সার্জেন্টের অবৈধ অঢেল সম্পদ 
ট্রাফিক সার্জেন্ট জিয়াউল চৌধুরী

প্রায় ২৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কুমিল্লার ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউল চৌধুরী ও তার স্ত্রী ফারজানা হোসেন রিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

মঙ্গলবার (২৮ মে) মামলাটি করেন দুদকের কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ইমরান খান। আসামিরা হলেন- কুমিল্লা পুলিশ কার্যালয়ের পরিদর্শক জিয়াউল চৌধুরী ও তার স্ত্রী ফারজানা হোসেন রিমা। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা দুদক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. ফজলুল হক।

Advertisement

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য ও জাল হলফনামা তৈরি করে ২৩ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৩ টাকার সঞ্চয়পত্র উপহার হিসেবে দেখিয়ে বৈধ করার চেষ্টা করেছেন। অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।

আরো জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর জিয়াউল চৌধুরী নিজের এবং স্ত্রীর নামে সাত লাখ এক হাজার ৯০২ টাকার স্থাবর ও ৪০ লাখ পাঁচ হাজার ৪২৬ টাকার অস্থাবরসহ মোট ৪৭ লাখ সাত হাজার ৩২৮ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। এরমধ্যে জিয়াউল চৌধুরী তার স্ত্রীর নামে কুমিল্লা প্রধান ডাকঘরের ২৪ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয় দেখিয়েছেন। যা তিনি নিজের মা ও শাশুড়ি থেকে পেয়েছেন বলে দেখিয়েছেন। এ সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের টাকার উৎস বৈধ করতে গিয়ে হলফনামায় ভুয়া দলিল ব্যবহার করেন তিনি। দুদকের অনুসন্ধানে যা জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে।

জানা যায়, জিয়াউল চৌধুরী ২০০৩ সালে সার্জেন্ট পদে যোগ দেন। অন্যদিকে তার স্ত্রী একজন গৃহিণী। পারিবারিক ব্যয়সহ আসামির আয় ৫৪ লাখ পাঁচ হাজার ৩৮০ টাকা যার বিপরীতে দুদক তার আয় পায় ৩০ লাখ ১২ হাজার ৫১৭ টাকা। অর্থাৎ তিনি ২৩ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৩ টাকার সম্পদ অবৈধ উপায়ে অর্জন করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়।

দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ফজলুল হক বলেন, মামলার তদন্ত শেষে পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!