নিহতের স্ত্রী নিমি বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী তরিকার লোক হওয়ায় মাঝে মধ্যে বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন তার কাছে আসে। বুধবার রাতে তার কাছে দুইজন লোক এসেছিল। রাত গভীর হলে তারা আমাকে অন্য ঘরে আটকিয়ে রেখে আমার স্বামীকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। বুধবার (২৯ মে) সকালে ঘরের জানালা ভেঙে বের হয়ে এসে প্রতিবেশীদের বিষয় জানাই।’
স্থানীয়রা জানান, সকালে নিমি বেগমের (নিহতের স্ত্রী) চিল্লাচিল্লি করে বলতে থাকেন তার স্বামীকে দুইজন লোক গলাকেটে মেরে রেখে গেছে। পরে ঘরে ঢুকে শাহজাহানের লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
.png)
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান জাকারিয়া বলেন, নিহতের স্ত্রী (নিমি বেগমকে) আমি প্রাথমিকভাবে জিঙ্গাসাবাদ করেছি। কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে যে বা যারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।