আহতরা হলেন- উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর শুল্লুকিয়া গ্রামের মোহাম্মদ উল্যার ছেলে আব্দুল মান্নান, শাহ আলমের ছেলে মামুনুর রশিদ মান্না, মো. হানিফের ছেলে রাকিব, আবুল কালামের ছেলে মো. কবির ও একই গ্রামের রফিক উল্যার ছেলে মো. জামাল। আহতরা সবাই আনারস প্রতীকে জয়ী প্রাথী এ কে এম সামছুদ্দিন জেহানের সমর্থক বলে জানা যায়।
আহতদের স্বজনরা জানান, কেন্দ্রের সামনে প্রার্থীদের পাল্টাপাল্টি স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ওই সময় পুলিশ এসে অতর্কিত গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সবাই হাসপাতালের ১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।
.png)
এ বিষয়ে জানতে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম সামছুদ্দিন জেহানের মোবাইলে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সুধারাম মডেল থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি জানান, তারা একটি ভোটকেন্দ্রে ঢুকলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার নিদেশে পুলিশ গুলি চালায়। এতে পুলিশের গুলিতে দুইজন সামান্য আহত হন। যারা আহত হয়েছেন তাদের পক্ষ থেকে পুলিশকে অফিসিয়ালি বা আনঅফিসিয়ালি কিছুই বলা হয়নি। যারা ভোটকেন্দ্রে আক্রমণ করেছে এ ঘটনায় প্রিসাইডিং অফিসার বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, ভোট গণনা চলছিলো। তখন তারা উত্তেজিত হয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও ভোট বাক্স লুটের চেষ্টা করলে প্রিসাইডিং অফিসারে নির্দেশে পুলিশ চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।