সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিজিবির পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নেজাম ডাকাতের নেতৃত্বে এক থেকে দেড়শ জন দুষ্কৃতিকারী বিজিবির টহল দলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা ৫০ থেকে ৬০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষায় বিজিবিও পাল্টা গুলি করে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে দুষ্কৃতকারীরা পেট্রোল বোমা ছোড়ে। এতে বিজিবির কয়েকটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরে যায়। এ সময় হত্যা, অপহরণসহ একাধিক মামলার প্রধান আসামি নেজাম ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়। অভিযানে ৯৮ কার্টুন বার্মিজ সিগারেট এবং ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান, বিজিবির সঙ্গে চিহ্নিত চোরাকারবারিদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বিজিবির তিনটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউপির নেজাম উদ্দিন নামে এক চোরাকারবারি নিহত হয়েছেন বলে জেনেছি।
.png)
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সাইফুল আলম জানান, বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিদের গোলাগুলির ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশকে হস্তান্তর করেছে বিজিবি।
এদিকে সোমবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে নেজামের লাশ এসে পৌঁছেছে বলে হাসপাতাল সূত্র নিশ্চিত করেছে।
নেজামের বাবা আবুল বশর বলেন, গর্জনিয়ায় গত ৩ দিন আগে এক বন্ধুর বাড়িতে নেজাম বেড়াতে গিয়েছিল। সোমবার সকালে তার বন্ধুরা ফোন দিয়ে জানায় বিজিবির গুলিতে নেজাম নিহত হয়েছে। তার বন্ধুরা নেজামের লাশ বাড়িতে নিয়ে এসেছিল।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে কার গুলিতে এই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। লাশ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ কাজ করছে।