আবদুল জলিল নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। বুকে লাগানো সেই কার্ডে লেখা রয়েছে, নাম - মো. আবদুল জলিল। পত্রিকার নাম- দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র।
সাংবাদিক কার্ড লাগিয়ে কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করেছেন দোয়াত-কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছির। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রলীগ নেতা আবদুল জলিল সাংবাদিক কার্ড লাগিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরছেন। তিনি আনারস প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে প্রভাব বিস্তার করছেন। প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।
.png)
একই অভিযোগ করে পালকী প্রতীকের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী বাপ্পা সোহাগ বলেন, এ ছাত্রলীগ নেতা কেন্দ্রে অবস্থান করে আমার ভোটে বাধা দিচ্ছেন। তিনি কখনো সাংবাদিক ছিলেন না। নির্বাচন উপলক্ষে সাংবাদিক কার্ড নিয়ে আধিপত্য বিস্তার করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগের নাঙ্গলকোট উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলকে ফোন দিলে তিনি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দেন। তিনি সাংবাদিক কিনা এমন প্রশ্নের পর নেটওয়ার্ক সমস্যা বলে ফোন কেটে দেন।
কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, সে ছাত্রলীগ নেতা কিনা সেটা জানি না। সে কোনো একটি পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দেখিয়ে আবেদন করায় আমরা কার্ড ইস্যু করেছি।
সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান বলেন, এমন খবর পাইনি। দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেছি তাকে পেলে যেন ধরে ফেলে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি।