কলারোয়ার হিজলদী গ্রামটি ভারত সীমান্ত ঘেঁষা। ওই গ্রামের মনিরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তিনি মাঠে যান। ধানক্ষেতের পাশে সাপটি তিনি দেখতে পান। সে সময় তিনি আতঙ্কগ্রস্ত হলেও আশপাশের লোকজনের সহায়তায় সাপের গতিবিধি লক্ষ্য করে কিছু দূর গিয়ে কৌশলে সাপটি মেরে ফেলতে সক্ষম হন।
তিনি আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে সাপটি ভারতের সীমান্তে পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে। কিছুদিন আগেও একই এলাকায় একজোড়া সাপের দেখা যায়। তবে মারা সম্ভব হয়নি।
.png)
এ দিকে কয়েক মাস আগে পার্শ্ববর্তী সোনাবাড়িয়া ইউপির বড়ালী গ্রামের ধানক্ষেত থেকে একটি রাসেল ভাইপার সাপ পিটিয়ে মারে কৃষকরা। পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী একই এলাকায় আরো দুটি রাসেল ভাইপার সাপ দেখা যায়। পরে এলাকাবাসী তা মেরে ফেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধারণা করা হচ্ছে রাসেল ভাইপার বিষাক্ত সাপটি বিশেষ করে ধানক্ষেতে আশ্রয় নেয়। কারণ এই দুই এলাকায় ছাড়াও আশপাশে যেখানে এই সাপের সন্ধান মিলেছে তার বেশিরভাগ পাওয়া গেছে ধানক্ষেতে।
জানা গেছে, অন্যতম বিষাক্ত ও ভয়ংকর সাপ হলো রাসেল ভারপার বা চন্দ্রবোড়া সাপ। এর লেজ খুব লম্বা হয় না। সাপটিও বেশি লম্বা না। তবে বেশ মোটা। সাপের মাথা খুব বড়। গায়ে কিছুটা ছপছপ ডোরাকাটা কালো দাগ। গালের ভেতরে ওপরের দুটি দাঁত আর নিচের দুটো দাঁত বেশ বড়, কোঁকড়ানো এবং শক্ত। এদের প্রধান খাদ্য ইঁদুর।