শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে করিমগঞ্জ উপজেলার গুনধর ইউনিয়নের উত্তর আশতকা বৌ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- গুনধর ইউনিয়নের উত্তর আশতকা গ্রামের রফিকুল (৩০), হামিদুল (২৫), জবু (৩২),গোলাপ (৫০), আনোয়ার (৩৫), ইদু (৪০) শফিকুল (৩৫), নবী (২৫), রিয়াতুল (২৬), নাহিদ (১৫)জসিম (৩৫),ধনু (৩৫), গিয়া উদ্দিন (৪০), আব্দুল হামিদ (৮০),ঝুমা(১৮), মতি (৩০)-সহ অন্তত ১৬ জন।
.png)
আহতদের করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গুণধর ইউপির উত্তর আশতকা ৫ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আবু জুনায়েদ বাচ্চু বলেন, উত্তর আশতকা গ্রামের দুটি পরিবার পাশাপাশি বসবাস করে। তারা সম্পর্কে চাচা শ্বশুর ও ভাতিজি জামাই। মাছ ব্যবসায়ী চাঁন মিয়া ও হারিছ উদ্দিনের গত ৫ বছর ধরে সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সালিশ হলেও সমাধান হয়নি।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির সীমানায় মধ্যে একটি নারকেল গাছ নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে হারিছ উদ্দিনের পরিবারের কয়েকজন সদস্য দাসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষ চাঁন মিয়াসহ অন্যদেরকে আঘাত করে। তখন চাঁন মিয়ার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হারিছ উদ্দিনের পরিবারের ওপর পাল্টা আঘাত করে। এলাকাবাসী এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় ১৬ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রিয়াদ শাহেদ রনি জানান, করিমগঞ্জে আহত ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং অন্যদের কিশোরগঞ্জ পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে করিমগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। করিমগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই পরিবারের লোকজন সংঘর্ষে জড়ায়।পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আহতের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে কাউকে আটক করা হয়নি। লিখিত অভিযোগের সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।