সড়কটির এক কিলোমিটার জুড়ে বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এসব খানাখন্দে বৃষ্টির পানি জমে ধীরে ধীরে গর্তগুলো আরো বড় আকার ধারণ করছে এবং গর্তে জমে থাকা ময়লা পানি সাধারণ পথচারীসহ যাত্রী ও যানবাহন চালকদের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রোববার বিকেলে এক কিলোমিটার সড়ক ঘুরে পথচারী, যাত্রী ও বিভিন্ন যানবাহন চালকের ভোগান্তির চিত্র দেখা গেছে।
.png)
বিশেষ করে পৌরশহরের সাউদপাড়া মোড় এবং কেন্দুয়া সরকারি কলেজ মোড় এলাকায় রাস্তাটির অবস্থা খুবই নাজুক। এ দুটি মোড়ে পুরো রাস্তা জুড়ে বেশ কয়েকটি বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং এসব গর্তে ময়লা পানি জমে কাদায় সয়লাব হয়ে গেছে। গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি মোড় দিয়ে অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ গুরুত্বপূর্ণ লোকজন প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছেন। রাস্তার গর্তে যানবাহনের চাকা আটকে কিংবা উল্টে পড়ে প্রায় সময়ই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনাও। তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন বিষয়টি দেখেও দেখছেন না।
কেন্দুয়া সরকারি কলেজ মোড় এলাকার ব্যবসায়ী আবু সাদেক তালুকদার বলেন, ভাঙা এ সড়কে গত দেড় মাস ধরে সাধারণ মানুষ অনেক কষ্ট করছে। প্রায় সময়ই সড়কের বড় বড় গর্তে গাড়ি উল্টে যাচ্ছে। শনিবার (২৯ জুন) বিকেলেও একটা গাড়ি উল্টে গেছিল। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
অটোরিকশা চালক জিয়াউর রহমান বলেন, রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ। যাত্রী নিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাওয়া বেশ কঠিন। গর্তে পড়ে গাড়ি হেলে প্রায় সময়ই উল্টে যায়। আমাদের গাড়িরও ক্ষতি হচ্ছে। রাস্তাটা দ্রুত মেরামত করা না হলে চলাচল করাই দুরূহ হয়ে যাবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) কেন্দুয়া উপজেলা প্রকৌশলী আল আমিন সরকার বলেন, সত্যি সড়কটির অবস্থা খুব খারাপ। পুরো উপজেলায় এরকম আরো কয়েকটি সড়ক রয়েছে। কিন্তু ফান্ডিং স্বল্পতার কারণে সবগুলো রাস্তার সংস্কার কাজ এক সঙ্গে করা সম্ভব নয়। তবে আমরা সংস্কার যোগ্য সবগুলো সড়ক মেরামতের জন্য বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। এরমধ্যে কেন্দুয়া-মদন সড়কটির সংস্কার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত করা হবে।