আহত বিপুল রায় বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি পূর্ব ধারাবাশাইল গ্রামের মৃত হরিদাস রায়ের ছেলে।
জানা গেছে, ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পূর্ব ধারাবাশাইল গ্রামের ভরত বিশ্বাসের ছেলে সুধীর বিশ্বাসসহ (৪২) ৪ জনে মিলে বিপুল রায়ের কলেজপড়ুয়া ভাতিজি নিপা রায়কে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনার পরদিন মনের কষ্টে কলেজছাত্রী নিপা রায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
.png)
নিপা রায়ের আত্মহত্যার পর তার পিতা নিপুল রায় বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে সুধীর বিশ্বাসসহ ৪ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলার ১নং সাক্ষী হলেন মামলার বাদী নিপুল রায়ের বড় ভাই বিপুল রায়।
দীর্ঘদিন মামলাটি চলার পর আগামী ১৫ জুলাই আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন বলে জানিয়েছেন মামলার ১নং সাক্ষী বিপুল রায়।
তিনি বলেন, আমি যেন সাক্ষী দিতে না যাই তার জন্য সুধীর বিশ্বাসসহ অন্য আসামিরা আমাকে নানাভাবে প্রলোভন দিয়ে আসছিলেন। এই প্রলোভনে আমি রাজি না হওয়ায় সুধীর বিশ্বাসসহ অন্য আসামিরা আমাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মারধর করেছেন।
মামলার বাদী নিপুল রায় বলেন, মামলা করার পর থেকে আমি ও আমার পরিবারের লোকজনকে আসামিরা নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। এরই অংশ হিসেবে আসামিরা আমার বড় ভাই বিপুল রায়কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মারধর করেছেন। আমি ও আমার পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আসামিদের হাত থেকে বাঁচতে ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
কোটালীপাড়া থানার ওসি ফিরোজ আলম জানান, ধর্ষণ মামলার সাক্ষী বিপুল রায়কে মারধরের বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।