ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

কাদাপানিতে একাকার লোহাগড়া বাজার সড়ক, ভোগান্তি চরমে

এস. এম জহুরুল হক মিলু, লোহাগড়া (নড়াইল)
প্রকাশিত: ১০:১৬, ৩ জুলাই ২০২৪
কাদাপানিতে একাকার লোহাগড়া বাজার সড়ক, ভোগান্তি চরমে
নড়াইলের লোহাগড়া বাজারের প্রধান প্রধান গলিসহ সড়কে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নড়াইলের লোহাগড়া বাজারের প্রধান প্রধান গলিসহ সড়কে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি হলেই কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায় বাজারের সড়কগুলো। এতে বাজারের ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বাজার দিয়ে চলাচলকারী মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই।

লোহাগড়া বাজার ঘুরে দেখা যায়, লোহাগড়া বাজারে হাজারের অধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন পণ্যের বড় বড় শো-রুম রয়েছে। লোহাগড়া বাজারেই রয়েছে সোনালী ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ইউসিবি ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, কমার্স ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংকের উপশাখাও রয়েছে এ বাজারে। 

এ বাজারে টিন, রড, সিমেন্ট ও কাপড়ের বড় বড় দোকান রয়েছে। প্রতি সপ্তাহের সোমবার ও বৃহস্পতিবার এ বাজারে হাট বসে। এ বাজারে প্রায় শতাধিক গার্মেন্টসের দোকান, ৫০টির মতো স্বর্ণের দোকান, ৭০ এর অধিক ওষুধের দোকান রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে এ বাজারে। 

Advertisement

নড়াইলের লোহাগড়া বাজারের প্রধান প্রধান গলিসহ সড়কে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার লোহাগড়া বাজার থেকে ঢেউটিন বহন করে যাচ্ছিলেন ভ্যানচালক মো. সাহাবুল আলম। তিনি বলেন, বাজারের ভিতরের সড়কে গর্তের পাশাপাশি কাদাপানিতে একাকার। ভ্যানচালাতে অনেক কষ্ট হয়।

লোহাগড়া বাজারে কেনাকাটা করতে এসে লোহাগড়ার জয়পুর ইউনিয়নের মরিচ পাশা গ্রামের সেকেন্দার মোল্যা বলেন, এতো বড় বাজার।  কিন্তু কাদাপানিতে চলা যায় না। 

একটি ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি বলেন, কাদাপানি আর গর্তের কারণে বাজার দিয়ে হেঁটে যেতে কষ্ট হয়। 

লোহাগড়া পৌর সভার জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা রহমতুল্লাহ বলেন, দূর-দূরান্তে লোহাগড়া বাজারের নাম ডাক রয়েছে। কিন্তু বৃষ্টির দিনে বাজারের সড়কগুলোতে কাদা পানি থাকায় বাজারে এসেই সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

নড়াইলের লোহাগড়া বাজারের প্রধান প্রধান গলিসহ সড়কে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। লোহাগড়া বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী বিপুল গাইন বলেন, বৃষ্টি নামলে বাজারের ভেতরের সড়কের চিত্র খুবই করুণ হয়ে যায়। হাঁটতে চলতে খুব অসুবিধা হয়। এ জন্য ব্যবসায়ীদের বিক্রিও কমে গেছে।

লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী শ্রাবনি বলেন, লোহাগড়া বাজারে চলাফেরা করতে অনেক কষ্ট হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের বই, খাতা কিনতে ও পোশাক পরিচ্ছদ তৈরি করার জন্য প্রায়ই বাজারে আসতে হয়। বৃষ্টির কারণে বাজারে এসে কাদাপানিতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

লোহাগড়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. ইবাদত শিকদার বলেন, আমাদের প্রতিনিয়ত ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে পড়তে হয়। সড়কগুলো আসলেই চলাচলের অনুপযোগী। এ ব্যাপারে একাধিকবার পৌর মেয়রের সঙ্গে কথা বলেছি। 

লোহাগড়া পৌরসভার মেয়র সৈয়দ মসিয়ূর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, লোহাগড়া বাজারসহ পৌরশহরের বিভিন্ন সড়ক গুলোর খোঁজখবর নিয়েছি। প্রকল্প আসলে প্রতিটি কাজ বাস্তবায়ন করা হবে৷

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: নড়াইল
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!