ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

দুদকের মামলা: বাগেরহাট পৌরসভার ১৫ কর্মচারী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৩:১৮, ৭ জুলাই ২০২৪
দুদকের মামলা: বাগেরহাট পৌরসভার ১৫ কর্মচারী কারাগারে
ফাইল ফটো

অবৈধভাবে নিয়োগ বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাটে দুদকের করা মামলায় পৌরসভার ১৫ কর্মচারীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

রোববার দুপুরে বাগেরহাট সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে, বাগেরহাট পৌরসভার এসব-কর্মচারী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে বাগেরহাট সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

Advertisement

আসামিরা হলেন- দিপু দাস পাম্প (অপারেটর), আসাদুজ্জামান (বাজার শাখার আদায়কারী), জ্যোতি দেবনাথ (সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক), মারুফ বিল্লাহ (সহকারী কর আদায়কারী), বালী শফিকুল ইসলাম (সহকারী কর আদায়কারী), শারমিন আক্তার বনানী (বিল ক্লার্ক, পানি শাখা), মো. হাচান মাঝি (ট্রাকচালক), হাসনা আক্তার (সুইপার সুপারভাইজার), মো. জিলানী (সুইপার সুপারভাইজার), তানিয়া (এমএলএসএস), অপূর্ব কুমার পাল (পাম্প চালক), নিতাই চন্দ্র সাহা (পাম্প চালক), মোহাম্মদ মেহেদী হাসান (সহকারী পাম্প চালক), সাব্বির মাহমুদ (সহকারী কর আদায়কারী), পারভিন আক্তার (সহকারী কর আদায়কারী)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, অবৈধভাবে নিয়োগ বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগ এনে ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর দুদকের খুলনা কার্যালয় বাগেরহাট পৌরসভার মেয়র খান হাবিবুর রহমানের দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে। ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর বাগেরহাট পৌরসভায় মেয়র ১৭ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে ১ কোটি ২৬ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়।

দুদকের আইনজীবী মিলন কুমার ব্যানার্জি বলেন, পৌরসভার টাকা মানে সরকারের টাকা। পৌর কর্তৃপক্ষ ও নিয়োগ প্রত্যাশীরা যোগসাজশে নিয়োগ নিয়ে অবৈধভাবে এক কোটি ২৬ লাখ ৮৮ হাজার ৮৫৩ টাকা তছরুপ করেছেন, যা অবৈধ। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আসামিরা হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

এছাড়া বাগেরহাটে আবাহনী ক্লাবের ট্রেনিং সেন্টার ও বাগেরহাট ডায়াবেটিক হাসপাতাল কমপ্লেক্সের জন্য বরাদ্দ দেওয়া (১ কোটি) টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মেয়র খান হাবিবুর রহমান ও বাগেরহাট পৌরসভার সাবেক সচিব মোহাম্মদ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!