এর আগে, গত ১১ জুন দুপুরে নামাজ পড়তে বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন ইরফান। এ ঘটনায় থানায় জিডি করে তার পরিবার।
ইরফান সাধনপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সাধনপুর মোকামিপাড়া এলাকার আবদুল জলিলের ছেলে। ওমান থেকে পাঁচ মাস আগে দেশে ফেরেন তিনি।
.png)
স্থানীয়রা জানান, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে প্রবাসী ইরফানের। পাঁচ মাস আগে দেশে আসেন তিনি। মেয়েটি তাকে বিয়ে করতে রাজি হননি। তাই হতাশায় ভুগছিলেন ইরফান। শেষে অভিমান করে তিনি জঙ্গলে গিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাঁশখালী থানার ওসি (তদন্ত) শুধাংশু শেখর হালদার বলেন, পরনে থাকা কাপড় ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দেখে মরদেহটি শনাক্ত করেছেন নিহতের বাবা। ঘটনাস্থল থেকে মাথার খুলিসহ খণ্ড খণ্ড কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। এছাড়া মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।