জানা গেছে, সোহেল বেড়ে উঠেছেন কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বানাশুয়া গ্রামে। তিনি ঐ গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সোহেল ছোট। তারা সপরিবারে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় থাকেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে স্নাতক শেষ করেন তিনি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে তার পড়ালেখা নিয়ে সন্দেহ আছে সহপাঠীদের মধ্যে।
সহপাঠীদের দাবি, ছাত্র হিসেবে তেমন ভালো ছিলেন না সোহেল। তার সার্টিফিকেট নিয়েও তদন্ত হওয়া দরকার। সেটাও ভুয়া হতে পারে।
.png)
সোহেলের গ্রামের একাধিক ব্যক্তি জানান, সোহেল জানিয়েছেন- আমেরিকার একটি লটারি পেয়ে কোটিপতি হয়েছেন তিনি। সেই টাকায় মিরপুরে ব্যবসা করেন। তারা আরো জানান, মাঝে মাঝে ঢাকা থেকে বাড়িতে এলেও কারো সঙ্গে তেমন মিশতেন না সোহেল। তার বড় ভাই সুজনের একটি স্বর্ণের দোকান আছে কুমিল্লা শহরের ছাতিপট্টিতে। মেজো ভাই খালেদ হোসেনেরও স্বর্ণের দোকান আছে বুড়িচং সদরে। দুই দোকানেও বিনিয়োগ আছে সোহেলের। কিছুদিন আগে তিনি বাড়ির পাশে দেড় কোটি টাকা মূল্যে ৬০ শতক জমিও কেনেন।
এ বিষয়ে জানতে সোহেলের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় আমড়াতলী ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক বলেন, সোহেল প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িত দেখে খুব অবাক হয়েছি। এটা মানতে খুব কষ্ট হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, বিসিএসসহ বাংলাদেশ রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে পিএসসির দুজন উপপরিচালক, দুজন সহকারী পরিচালকসহ ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।
রোববার ও সোমবার (৭ ও ৮ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।