শনিবার দুপুরের দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন এওজবালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. বেলাল হোসেন। এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার এওজবালিয়া ইউপির খাসেরহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
ডাকাতি হওয়া দোকানের মধ্যে রয়েছে কাপড়ের দোকান, ওষুধের দোকান, মেশিনারী দোকানসহ অন্তত ১১টি দোকান।
.png)
স্থানীয় চেয়ারম্যান আরো বলেন, শুক্রবার রাত ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে দুটি মোটরসাইকেল ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা যোগে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ৮-১০ জন ডাকাত খাসেরহাট বাজারে আসে। ওই সময় প্রথমে তারা বাজারে থাকা নৈশ প্রহরী চৌধুরী মিয়ার কাছে একটি জায়গার ঠিকানা জানতে চায়। পরবর্তীতে ডাকাতদলের সদস্যরা নৈশ প্রহরীকে উলঙ্গ করে সড়কের পাশে থাকা পিলারের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এরপর তারা ১১টি দোকান থেকে নগদ ২ লাখ টাকা, একটি মোটরসাইকেলসহ ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে নৈশ প্রহরীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। ডাকাত দলের সদস্যরা সবাই কম বয়সী ছিল।
সুধারাম থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।