নিহত খালেদ আহমদ (১৩) কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের গৌরিপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী আব্দুল আহাদের একমাত্র ছেলে। সে পৌরসভার আইডিয়াল স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয়রা জানান, রোববার স্কুল ছুটির পর মায়ের সঙ্গে বাড়িতে আসে খালেদ আহমদ। বিকেল সোয়া ৫টার দিকে খালেদকে খাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করেন মা ও দাদি। একপর্যায়ে ঘরে গিয়ে খালেদকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন তারা। পাশেই পড়েছিল তার স্মার্টফোন। পরিবারের লোকজন সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
.png)
নিহতের স্বজনরা জানান, খালেদ মোবাইল আসক্ত ছিল। সে সবসময় টিকটক ভিডিও করত। তার মা স্মার্টফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করলেও সে তা মানত না। বিকেলে খালেদ আহমদ স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর তার মা রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এই ফাঁকে স্কুল শিক্ষার্থী খালেদ আহমদ নিজ ঘরে গলায় রশি ঝুলিয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত এ মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কানাইঘাট থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার বলেন, টিকটক ভিডিও করতে গিয়ে গলায় রশি পেঁচিয়ে এক স্কুলছাত্র মারা গেছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। মরদেহ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।