পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রফিক মিয়া ঢাকায় একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি করতো। প্রায় ৮ মাস আগে সে ছুটিতে বাড়িতে আসে। এরপর থেকেই সে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে বিভিন্ন স্থানে ছুটাছুটি করতো। গত শনিবার বাড়ি থেকে বের হয়ে শ্রীবরদী বাজারে আসে। সোমবার সকালে রহস্যজনক কারণে শহরের বাসস্ট্যান্ডের ব্রিজের ওপর পড়ে মারা যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
রফিক মিয়ার বড় ভাই শাহ আলম বলেন, রফিকের দাম্পত্য জীবনে দুই ছেলে। বড় ছেলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে।
রফিক মিয়ার স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানান, তার স্বামী হঠাৎ মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এরপর থেকে সে বাড়িতে থাকতো না। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াতো।
.png)
শ্রীবরদী থানার এসআই মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধারের সময় তার পরনে ছিল ট্রাউজার। মুখে ও হাঁটুতে ক্ষত রয়েছে।
শ্রীবরদী থানার ওসি কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন, ওই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।