স্থানীয়রা জানান, গত প্রায় সাত বছর ধরে ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে লাল মিয়ার পরকীয়া প্রেম চলছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন বলেও ওই ছাত্রী এলাকাবাসীকে জানিয়েছেন। ওই ছাত্রী সাত বছর আগে লাল মিয়ার কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা শুরু করেন। তখন থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো চলাফেরা শুরু করেন এবং এলাকায় নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হয়।
ওই ছাত্রী লাল মিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে নানা কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরে লাল মিয়া ভারতে ঘুরতে যান। দেশে ফিরে লাল মিয়া কথা না রাখলে মঙ্গলবার সকালে ওই ছাত্রী তার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেন।
.png)
এদিকে এই ঘটনায় লাল মিয়ার স্ত্রী পিটিয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে দুইজন গ্রাম পুলিশের পাহারায় ওই ছাত্রী লাল মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত লাল মিয়া বলেন, এমনটি হওয়ার কথা ছিল না। তবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে।
বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হেলাল দেওয়ান জানান, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছেন। তবে কোনো পক্ষই বিষয়টি তাকে জানাননি।
মির্জাপুর থানার এএসআই হামিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়টি থানায় কোনো পক্ষই অবহিত করেননি।