পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শ্বশুর নুরনবী ও শাশুড়ি হোসনে আরাকে ডাক্তার দেখিয়ে লক্ষ্মীপুর থেকে অটোরিকশায় চন্দ্রগঞ্জ থানার উত্তর জয়পুর নিজ বাড়ি যাচ্ছিলেন গৃহবধূ সুইটি। পথিমধ্যে অটোরিকশাটি যাদৈয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ছেড়ে আসা একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় অটোরিকশাচালকসহ ৫ যাত্রী গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক অটোচালক রহমান, বৃদ্ধ নুরনবী ও তার স্ত্রী হোসনে আরাকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে পাঠান।
অটোরিকশার আহত যাত্রীরা হলেন একই পরিবারের সদরের উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের হানিফ মিয়াজি হাট এলাকার বাসিন্দা নুরনবী, তার স্ত্রী হোসনে আরা বেগম ও পুত্রবধূ সুইটি আক্তার।
.png)
অপর আহতরা হলেন বাঙাখা এলাকার আবুল বাসারের ছেলে অটোচালক রহমান ও শাফায়েত হোসেন। তিনি একই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে এবং বাঙাখা উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক আরমান হোসেন জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনের জীবননাশের আশঙ্কা থাকায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন জানান, ঘটনাস্থল থেকে বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পলাতক রয়েছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।