শুক্রবার সকালে ওসমানীনগর থানায় সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) আশরাফুজ্জামান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কুরুয়া বাজারে চোরাই সিএনজি অটোরিকশা ক্রয় বিক্রয় হওয়ার খবর পায় পুলিশ। উৎপেতে সেখানে অভিযান চালিয়ে চোরাই গাড়ি ক্রয় বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকায় সুহেল মিয়া, রিমন মিয়া ও হাসান আহমদকে আটক করলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরো ৪ থেকে ৫ জন পালিয়ে যায়। এ সময় ২টি সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করে পুলিশ।
আটককৃতদের দেওয়া তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার ভোরে হবিগঞ্জ জেলার মিরপুর বাজারের একটি গ্যারেজ তল্লাশি করে আরো ২টি চোরাই সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
.png)
এ সময় ওয়াহিদ মিয়া, আনিছ মিয়াকে আটক করে বিকেল ৩টার দিকে সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা থানার লাউয়াই এলাকায় আটক হাসান আহমদের মালিকানাধীন হাসান ডেটিং ইঞ্জিনিয়ারনিং ওয়ার্কসপসহ আশপাশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো ৩টি চোরাই সিএনজি গাড়ি উদ্ধার করা হয়। এ সময় মিছির আলী ও আব্দুল ওয়াদুদ সালমানকে আটক করা হয়।
ওসমানীনগর থানার ওসি রাশেদুল হক বলেন, দুইদিনে অভিযান চালিয়ে ৭টি চোরাই সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধারসহ চোরাই গাড়ি বেচাকেনা ও চোর চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিআরটিসি অফিসে খোঁজ নিয়ে গাড়ির মালিকানার বিষয়ে তথ্য নেয়া হবে। অভিযানকালে সিন্ডিকেটের কয়েকজন সদস্য পালিয়ে গেলেও তাদের গ্রেফতারে পুনরায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।