শুক্রবার (২৬ জুলাই) রাত পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে ট্রলার মালিক জাকির প্যাদা।
নিখোঁজরা হচ্ছেন- কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের জাকির প্যাদার ট্রলারের জেলে ফিরোজ তালুকদার ও রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবির আবদুল করিমের ট্রলারের জেলে নাঈম চৌকিদার। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতের বিভিন্ন সময় ট্রলার ডুবির এ ঘটনা ঘটে।
.png)
কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়ের চেয়ারম্যান শওকত হোসেন বিশ্বাস তপন জানান, ২৩ জুলাই সাগরে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা শেষে ১৪ জেলে নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যায় লালুয়ার জাকির প্যাদার ট্রলার। বৃহস্পতিবার রাতে ট্রলারের পিছনে বসা অবস্থায় প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে ফিরোজ তালুকদার সাগরে পড়ে ডুবে যায়। শুক্রবার রাত পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে ট্রলার মালিক জাকির প্যাদা।
মৎস্য বন্দর আলীপুর আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল জলিল জানান, তার আড়তে মাছ বিক্রি করে আবদুল করিম, শাহীন মাতুব্বর, সোহরাব গাজী, রাজ্জাক মাতুব্বর ও মো. উজ্জলের মালিকানাধীন পাঁচটি ট্রলার সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে যায়। এর মধ্যে একটি ট্রলারসহ ৪৭ জেলে উদ্ধার হলেও বেল্লাল চৌকিদারের ট্রলারের জেলে নাঈম চৌকিদার নিখোঁজ রয়েছেন।
বর্তমানে সাগর প্রচন্ড উত্তাল থাকার কারণে শত শত ট্রলার মাছ শিকার বন্ধ করে আলীপুর ও মহিপুর মৎস্য বন্দর ও বিভিন্ন মোহনায় নিরাপদে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। তবে বর্তমানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগরে মাছ শিকার করছে কলাপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় শত শত ট্রলার বলে জানান মাছ শিকার বন্ধ রেখে সাগর থেকে ফিরে আসা জেলেরা।