পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাফলিডাঙ্গা গ্রামের কৃষক তাপস টিকাদারের ছেলে অপূর্ব টিকাদার বাড়ির উঠানে খেলছিল। কোনো এক সময় সে বাড়ির বাইরে চলে যায়। এ সময় অপূর্বের মা পলি টিকাদার বাড়ির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ছেলেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উঠানে না দেখে খুঁজতে বের হন। কোথাও না পেয়ে পাড়া প্রতিবেশীকে বিষয়টি জানান। সবাই বাড়ির আশপাশের এলাকা খোজাখুঁজি করে না পেয়ে রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে জানান। পরে পুলিশ ও গ্রামবাসী বাড়ির পাশের বালুচরের কাশবনে খুঁজতে গেলে সেখানে গলাকাটা অবস্থায় লাশটি দেখতে পান।
নিহতের খালা লাবনি মন্ডল বলেন, আমার বোন ও তার স্বামী খুবই ভদ্র। কৃষি কাজ করে সংসার চালায়। ওদের দুটি সন্তান। ওরা নিরীহ, কোনো শত্রু নেই। তারপরও কেন এ ঘটনা ঘটল আমরা কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। ঘটনাটি তদন্ত করে খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
.png)
কাশিয়ানী থানার রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শিশুটি সন্ধ্যার আগ থেকে নিখোঁজ রয়েছে এমন খবর রাত সাড়ে ৯টায় পায় পুলিশ। সেখানে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ির পাশে বালুচরের কাশবনে খুঁজতে গেলে লাশ দেখতে পাই। রাত সাড়ে ১০টায় ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে আজ শুক্রবার দুপুরে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
কাশিয়ানী থানার পরিদর্শক জিল্লুর রহমান বলেন, নিহতের বাবা তাপস টিকাদার কাশিয়ানী থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার কারনে ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। তবে এরইমধ্যে পুলিশ তদন্তে নেমেছে।