বুধবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ফ্যাক্টরির মূল গেটের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
জানা যায়, বেতন বৃদ্ধিসহ ১৬ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শ্রমিকরা। পরে তাদের পাওনাদির বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন ৪-৫ জন শ্রমিক প্রতিনিধি ও শিল্পপুলিশ। এ সময় কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি মেনে নিতে অসম্মতি জানায়। পরে ওই কারখানায় কর্মরত অস্থায়ী ৫৬ জন শ্রমিকদের চাকরি হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এবং চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের সব পাওনাদি আগামী ১ সেপ্টেম্বর পরিশোধ করা হবে জানানো হয়।
.png)
শ্রমিকদের দাবিসমূহ -
১। অফিস চলাকালীন অবস্থায় আমাদের প্রদেয় খাবারের মান উন্নত করতে হবে, খাবার বিনামূল্যে প্রদান করার ব্যবস্থা করতে হবে এবং সকালের ও বিকেলের নাস্তা পর্যাপ্ত করতে হবে।
২। অস্থায়ী শ্রমিকদের ৬ মাসের মধ্যে স্থায়ীকরণ করতে হবে। নতুন শ্রমিকের মাসিক বেতন শুরুতে ১৫ হাজার টাকা করতে হবে।
৩। সিনিয়র অপারেটর এবং লাইন সুপারভাইজারদের বেতন সর্বনিম্ন ২৮ হাজার টাকা ধার্য করতে হবে।
৪। অপারেটর ও পার্মানেন্ট পর্যায়ের সব শ্রমিকদের বেতন ২২ হাজার টাকা ধার্য করতে হবে।
৫। সাপ্তাহিক ছুটি দুইদিন ধার্য করতে হবে।
৬। ওভারটাইমের হার ২২ দিয়ে ভাগ করতে হবে।
৭। সাপ্তাহিক ছুটির দিন ডিউটি করলে হাজিরা ডাবল দিতে হবে।
৮। মাসিক হাজিরা বোনাস ১ হাজার টাকা করতে হবে।
৯। বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট সর্বনিম্ন ৪ হাজার টাকা করতে হবে।
১০। বৈশাখী বোনাস চালু করতে হবে এবং দুই ঈদের বোনাস ও বৈশাখীর বোনাস বেতন সমপরিমাণ করতে হবে।
১১। ছুটির হয়রানি বন্ধ করতে হবে এবং ছুটির টাকা প্রদান করতে হবে।
১২। বেতন ও ওভারটাইমের টাকা একসঙ্গে ১-৫ তারিখের মধ্যে প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। বাকি যেগুলো ওভারটাইমের টাকা আছে তা দ্রুত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
১৩। প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং গ্রাচুইটি চালু করতে হবে।
১৪। সরকারি সব ছুটি আমাদের জন্য নির্ধারিত করতে হবে।
১৫। নাইট বিল ৫০০ টাকা ধার্য করতে হবে।
১৬। এই আবেদনের জন্য কোনো শ্রমিককে কোনরকম হয়রানি বা চাকরিচ্যুত করা যাবে না।