অধিদফতরের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম কৃষি অঞ্চলে এক লাখ ৫৩ হাজার ১০৩ হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। বেশি ক্ষতি হয়েছে মীরসরাই, ফটিকছড়ি, সীতাকুণ্ড, লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশ উপজেলায়। এসব উপজেলায় বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে এক হাজার ৯২২ হেক্টর সবজি বাগান। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আউশ ও আমনের জমি। রোপা আমনের ক্ষতি হয়েছে ২৫১ কোটি ৬৩ লাখ টাকার।
জানা গেছে, জেলায় এবার এক লাখ দুই হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। এরমধ্যে বন্যায় তলিয়ে গেছে ৪৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমি। আমনের এক লাখ ৫৫৫ হেক্টর বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া জেলায় ৩৩ হাজার এক হেক্টর জমিতে আউশের মধ্যে আট হাজার ৩৮৩ হেক্টর নষ্ট হয়েছে। এর বাইরে এক হাজার ৯২২ হেক্টর সবজি বাগানসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষতি হয়েছে।
.png)
বন্যায় এক লাখ ৬১ হাজার ৩৭১ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা।
তারা জানান, ১৩ হাজার ৮৩১ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলার ফটিকছড়ি উপজেলায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৯৯ কোটি টাকা। মীরসরাই উপজেলায় ক্ষতি ৪৮ কোটি টাকার। হাটহাজারীতে ক্ষতি হয়েছে ২২ কোটি টাকার। লোহাগাড়ায় ক্ষতি হয়েছে দুই দশমিক ৫২ কোটি টাকার। সাতকানিয়া উপজেলায় ক্ষতি হয়েছে দুই দশমিক নয় কোটি টাকার এবং সীতাকুণ্ডে ক্ষতি হয়েছে এক দশমিক সাত কোটি টাকার। ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়তে পারে বলে জানান তারা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর চট্টগ্রামের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক ওমর ফারুক বলেন, এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৫ উপজেলা ও নগরের আংশিক এলাকায় প্রায় ৩৯৪ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা হয়েছে।