ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে আবাসিক হোটেলে চাঁদাবাজি, গ্রেফতার ১১

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৮:৫২, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে আবাসিক হোটেলে চাঁদাবাজি, গ্রেফতার ১১
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার ফয়’স লেক এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে আবাসিক হোটেলে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খুলশী থানার ওসি কবিরুল ইসলাম। এর আগে, বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্যাসিফিক গেস্ট হাউজ নামে একটি হোটেল থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন হোটেল মালিক।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আইমন দোভাষ, ইরফাত হোসেন, হাসনাত ঊল্লাহ, অরণ্য ঘোষ, ওমর ফারুক, শাহরিয়ার হান্নান, সাকিব খান, ফয়সাল চৌধুরী, আরাফাত হোসেন সিয়াম, সাইদ মোহাম্মদ আদনান ও শুভ আহমেদ রনি। এছাড়া ইরফান নামে আরেকজনকে মামলায় আসামি হিসেবে দেখানো হয়েছে। তিনি পলাতক রয়েছেন।

Advertisement

ওসি কবিরুল ইসলাম বলেন, ভুয়া পরিচয়ে একটি আবাসিক হোটেলে চাঁদা আদায় করতে যাওয়া ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলায় ১২ জনকে আসামি করা হলেও একজন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তার নিজ বাড়ি নোয়াখালীতে বন্যার কারণে স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেকে এনে প্যাসিফিক গেস্ট হাউজে রাখেন তিনি। বুধবার রাত আটটার দিকে গ্রেফতার আইমান দোভাষের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ হোটেলে আসেন। এরপর হোটেল মালিককে খুঁজতে থাকেন তারা। সেখানে অবৈধ কার্যকলাপ চলছে জানিয়ে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু মালিক নজরুল ইসলাম সে সময় হোটেলে ছিলেন না। তখন তিনি নগরের একটি বেসরকারি ডায়গনস্টিক সেন্টারে ছিলেন। দুর্বৃত্তরা আট ভরি স্বর্ণালংকার, নগর ৮৫ হাজার টাকা এবং অন্যান্য মালামালের সঙ্গে সিসিটিভির মেমোরি কার্ডও নিয়ে যায়। পরে একইভাবে ফয়’স লেক এলাকায় মোটেল সিক্স সনিক নামে আরেকটি আবাসিক হোটেলে ঢুকে মারধর এবং অবরোধ করে রাখেন আসামিরা। দ্রুত সেই খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রজনতা এসে তাদের ঘেরাও করে ফেলেন।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, চট্টগ্রামের সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ বলেন, পুলিশ আমাদের জানিয়েছিল। আমরা বলেছি- যারাই হোক আইনের আওতায় আনুন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!