ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

কারখানায় হামলা-ভাঙচুর: গাজীপুর ও সাভারে আটক ১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬:০৪, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
কারখানায় হামলা-ভাঙচুর: গাজীপুর ও সাভারে আটক ১৫
ফাইল ফটো

সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ভাঙচুর, হামলা ও পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টিসহ বিভিন্ন অভিযোগে সন্দেহভাজন ১৪ জনকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। এদিকে, গাজীপুরে শ্রমিকদের মধ্যে অস্থিরতা উসকে দেওয়ার অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য জানান ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার আহম্মদ মুঈদ।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

Advertisement

আশুলিয়া থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবারও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভে বহিরাগত, ছাঁটাইকৃত ও বন্ধ কারখানার শ্রমিকদের অনেকেই অংশ নেন। তারা বিভিন্ন কারখানার সামনে অবস্থান নিয়ে বেশ কয়েকটি কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। এ ছাড়া হামলায় আহত হন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য।

পুলিশ জানায়, গতকাল রাতের বিভিন্ন সময়ে শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা তৈরিতে ইন্ধনদাতা ও জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে সাভারের বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে৷ অভিযানে সন্দেহভাজন মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়।

এসপি আহম্মদ মুঈদ বলেন, আশুলিয়ায় বিভিন্ন কারখানায় হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দায়িত্বপালন করতে গিয়ে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। এ সব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে যৌথ অভিযান চালানো হচ্ছে।

গাজীপুরে আটক ব্যক্তির নাম মো. মনিরুজ্জামান (৪৬)। তিনি গাজীপুর নগরের দেওয়ালিয়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় একজন নিরাপত্তাকর্মী।

গাজীপুরে থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টঙ্গী ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় পোশাক তৈরি কারখানায় বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। এতে শিল্পকারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ায় কলকারখানার মালিক ও সংগঠনের নেতারা মনে করছেন এতে তৃতীয় পক্ষের উসকানি আছে। এই অস্থিরতা বন্ধ করতে গত সোমবার থেকে গাজীপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে কোনাবাড়ী বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় বিসিকের নিরাপত্তাকর্মী মনিরুজ্জামানকে আটক করা হয়।

কোনাবাড়ী থানার ওসি শাহ আলম বলেন, মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে বিসিক শিল্প এলাকার নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। তিনি সেখানে থেকে কারও ইন্ধনে শ্রমিকদের নানাভাবে উসকানি দিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করাচ্ছে বলে আমাদের কাছে তথ্যপ্রমাণ আছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!