সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী গৃহবধূ তাসফিয়া বেগম জানান, ১৯৯৫ সালে সুবর্ণচর উপজেলার ৩নং চরক্লার্ক ইউনিয়নের সিদ্দিক মার্কেটের উত্তর পাশে হানিফ মিয়ার বাড়ির জায়গাটি স্থানীয় হাজী সেকান্তর হোসেন থেকে ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত জমিতে ২০১২ সালে একটি বিল্ডিং এবং একটি টিনের ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন।
গত মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের সাব উদ্দিনের ছেলে জিল্লুর নেতৃত্বে স্থানীয় এতিম আলীর ছেলে মাসুদ, সুমন, নুর মাওলা, রহমত উল্যাহসহ একটি সংঘবদ্ধ দল প্রকাশ্যে সিদ্দিক মার্কেটে থাকা তাদের একটি দোকানের শাটার বন্ধ করে দেয়। এরপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বসতবাড়িতে প্রবেশ করে ঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে, ঘরে ঢুৃকে ব্যাপক লুটপাট চালায়।
.png)
পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে তাদেরকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে এক দল ঘরের ভেতর প্রবেশ করে দোকানের ভিটা ক্রয়ের জন্য রাখা নগদ ১০ লাখ টাকা ও ৫ ভরি সোনা ছিনিয়ে নেয় এবং ঘরের ভেতর আসবাবপত্রসহ সব ভাঙচুর ও লুট করে নিয়ে যায়।সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী গৃহবধূ বসতবাড়ি ফিরে পেতে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার অভিযুক্ত জিল্লুরের মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
চরজব্বর থানার ওসি কাউছার আলম ভূঁইয়া বলেন, আমি বর্তমানে থানার বাইরে আছি। এ ঘটনায় খোঁজ-খবর নিয়ে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।