কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সম্প্রতি সমুদ্র সৈকতে ঐ নারীকে কান ধরে ওঠ-বস ও মারধর করার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওগুলোতে দেখা গেছে, একদল অতিউৎসাহী জনতা সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ভুক্তভোগী নারীকে কান ধরিয়ে ওঠ-বস করাচ্ছে। আর হাতে লাঠি নিয়ে ঐ নারীকে আঘাত করছে ফারুকুল। কান ধরে ওঠ-বস করতে দেরি হলেই সে লাঠি দিয়ে আঘাত করছে ঐ নারীকে। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা উৎসুক জনতা নারীর কান ধরে ওঠ-বসের গণনাও করেছিল।
.png)
ভাইরাল হওয়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, রাতে সমুদ্র সৈকতের ছাতাযুক্ত চেয়ারে (কিটকট) বসেছিলেন এক নারী। কয়েকজন যুবক ঐ নারীকে হঠাৎ করে ঘিরে ধরে। এক পর্যায়ে তারা ঐ নারীর পরিচয় জানতে চায়। পরিচয় দিলেও যুবকরা তাকে কিটকট থেকে উঠে যেতে বলে। উঠে না গেলে তাকে মারধরের হুমকিও দেয় তারা।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন বলেন, নারীকে কান ধরে ওঠ-বস ও মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক ফারুকুল ইসলামকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পর্যটন উদ্যোক্তা ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিরারুল ইসলাম আল আমিন বলেন, নারী হেনস্তার বিষয়টি অমানবিক এবং আইনের লঙ্ঘন। এ ঘটনা পর্যটন শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে কক্সবাজারে আসা কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের সঙ্গে বিচ কর্মীরাও দায়িত্ব পালন করবেন।
হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তানভীর হোসেন।