সোমবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার খাসকররা ইউপির রাইসা গ্রামের একটি ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে রোববার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। নিহত শিশু একই গ্রামের গ্রাম্য চিকিৎসক আব্দুল হোসেনের ছেলে।
শিশুর পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, রোববার দুপুরে বৃষ্টির পানিতে খেলছিল শিশু ফাহিম। এ সময় তার বাবা আব্দুল গরুর ঘাস কাটতে যায়। ১০ মিনিট পর ফিরে ফাহিমকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে বাড়ির পাশে নটা বিল খালের পাড়ে তার ব্যবহৃত পায়ের সেন্ডেল পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যরা। এ সময় গ্রামবাসীর সহযোগীতায় খালের পানিতে উদ্ধার চেষ্টা চালায়। পরে ওই উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয় আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। দীর্ঘ সময় পর শিশুটির খোঁজ না মিললে রোববার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উদ্ধার কাজে খুলনা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অংশ নিলেও দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পরেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরদিন সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বসতবাড়ির পেছনের ডোবায় ফাহিমের লাশ ভেসে উঠলে ডুবুরি দল লাশ উদ্ধার করে।
.png)
ফাহিমের বাবা আব্দুল জানান, গোসলের জন্য উঠানে বৃষ্টির পানিতে ভিজে খেলা করছিল ফাহিম। বাড়ির কাজ শেষে ফাহিমকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে বাড়ির পেছন থেকে তার লাশ ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়।
আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে ধারাবাহিকভাবে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। নটা বিল খালে শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। সকালে বসতবাড়ির পেছনের ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার (ওসি) শেখ গনি মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিশুটির লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে।