শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে বরগুনার পাথরঘাটার তালুক গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে বাবা, মা ও ভাইয়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হন তিনি।
এর আগে, এদিন সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় মাদরাসা মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পর তোফাজ্জলের হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন স্থানীয়রা।
.png)
নিহত তোফাজ্জল হোসেন পাথরঘাটার তালুকের চরদুয়ানী গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। তার বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় এবং মা ও ভাই ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার পরিবারের কোনো সদস্য জীবিত নেই। এ কারণে তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন।
জানা গেছে, কাঠালতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন বুধবার রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে তার বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হলে প্রবেশ করেন। ঐ সময় চোর সন্দেহে তাকে আটক করে শিক্ষার্থীরা। পরে রাত ১০টার দিকে হলের গেস্ট রুমে কয়েক দফা মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ক্যান্টিনে বসিয়ে ভাতও খাওয়ানো হয়। তারপর পুনরায় মারধর করা হয়। দীর্ঘ সময় মারধরের ফলে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।