রমাচরণ দে’র ভাষ্যমতে, প্রতিমা বাইরে শুকাতে রেখেছিলেন। জুমার নামাজ শেষে ৮/১০ অজ্ঞাত যুবক প্রতিমা ভাঙচুরে লিপ্ত হন বলে জানা যায়।
স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছে এবং সরাসরি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই স্থানের প্রতিমা যে অবস্থায় মাটিতে পড়ে ছিল তা দেখে ধারণা করা যায় যে, প্রতিমাটি কেউ পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে অথবা বাতাসে পড়ে গিয়েছে। এছাড়াও প্রতিমাগুলো উগ্রো মেজাজে ভাঙচুর হয়েছে এর কোনো প্রমাণ প্রতিমা পড়ে থাকার অবস্থা থেকে পরিলক্ষিত হয়নি।
.png)