ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগে আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্ক ছিল, এখন তা কমিয়ে ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে দেশের বাজার থেকে আলু ৪৫ টাকায় সাধারণ ক্রেতা কিনতে পারবে।
হিলি স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের তুলনায় ভারতে আলুর দাম কম হওয়ায় আমদানি অব্যাহত ছিল। কিন্তু হঠাৎ গত জুলাই মাসে ভারতে আলুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমদানি করে লোকশান গুণতে হয় ব্যবসায়ীদের। এতে ৮ জুলাই থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয় আলু আমদানি।
.png)
দীর্ঘ আড়াই মাস পর ভারতের অভ্যন্তরে দাম কমায় এবং আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্কায়ন থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ নির্ধারণ করায় আবারো আমদানি শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। এতে দেশের বাজারে একদিকে যেমন আলুর দাম কমে আসবে। অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি পাবে। আর আমদানিকৃত এসব আলু ৪৫ টাকায় কিনতে পারবে ক্রেতা সাধারণ।
আমদানিকারক কুদুব উদ্দিন জানান, ১৮০ মার্কিন ডলারে ভারতের কুচবিহার রাজ্য থেকে কার্ডিনাল জাতের আলু আমদানি করছেন। প্রতিকেজি আলু আমদানিতে খরচ পড়ছে ৪০-৪১ টাকা। এদিকে আলু আমদানির খবরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা আসতে শুরু করেছেন।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংঘনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী ইউসুফ আলী জানান, হিলি স্থলবন্দরের ১৬টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ২২ হাজার মেট্রিকটন আলু আমদানির অনুমতি পেয়েছে।