এদিকে, চলমান বন্যায় অনেক এলাকার পানি নামলেও এখনো লক্ষ্মীপুরের বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে রয়েছে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে পানি নামার ব্যবস্থা না থাকায়।
অপরদিকে, সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের খিলবাইছা ও মাছিমনগর গ্রামের পানি লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ সড়কের নিচ দিয়ে পার্শ্ববর্তী কোরালিয়া খালে পড়ে। সেখান থেকে মেঘনায় যায়। লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ সড়কের খিলবাইছা এলাকার দুটি কালভার্ট গাড়ির চাপে ভেঙে যাওয়ায় পানি প্রবাহ বন্ধ যায়। এতে দেড় মাস ধরে সড়কের পূর্ব পাশের প্রায় ৫০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে রয়েছে।
.png)

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যার সময় এই সড়ক ব্যবহার করে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করায় কালভার্ট দুটি ভেঙে যায়৷ ফলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক বিভাগ কালভার্ট দুটি পাথর ও ইট দিয়ে ভরাট করে। এতে পূর্ব অংশের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় এতে প্রায় ৫০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে রয়েছে।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম জানান, লোকবল পাঠিয়ে প্রাথমিক ভাবে কালভার্ট সংস্কারের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যবস্থা করা হবে। সড়কে যানবাহন চলাচলে বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে।