শুক্রবার দ্বিতীয় দিন সকালে বাল্য সেবার মধ্য দিয়ে শুরু হয় সাধু সঙ্গের কার্যক্রম। গুরু-শিষ্যের মধ্যে চলে ভাব-বিনিময়। আর দুপুরে পূণ্য সেবার মধ্য দিয়ে শেষ হয় সাধু সঙ্গের মূল আনুষ্ঠানিকতা।
এ সময় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মোছা. শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার।
.png)
তিরোধন দিবসের দ্বিতীয় দিনে সন্ধ্যায় সঙ্গীত মঞ্চে আমন্ত্রিত অতিথিদের আলোচনা সভার পর রাতভর চলে লালনগীতি। এতে অংশ নেন ৩৫০০-৩৬০০ জন।
লালন মেলাকে ঘিরে আখড়াবাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গোটা মেলা প্রাঙ্গন সিসি ক্যামেরার আওতায় রয়েছে।
এদিন অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক তৌফিক আহমেদ প্রমুখ।