ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বিয়ে করতে যাওয়ার পথে বরের ওপর সাবেক স্ত্রীর হামলা, অতঃপর...

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:৪০, ১৯ অক্টোবর ২০২৪
বিয়ে করতে যাওয়ার পথে বরের ওপর সাবেক স্ত্রীর হামলা, অতঃপর...
ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে তালাক হওয়ার পর দেনমোহর পরিশোধ না করেই দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাচ্ছিলেন শফিকুল ইসলাম। পথে সাবেক স্ত্রী পারভীন খাতুনের লোকজনের হামলা ও মারধরে আহত হয়েছেন বরসহ তিন বরযাত্রী।

শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের রসুলপুর (ফকিরপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শফিকুল ইসলাম প্রথমে পারভীন খাতুন নামের নারীকে বিয়ে করে তালাক দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ফকিরপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম পাশার মেয়ে পারভীন খাতুনের সঙ্গে রসুলপুর (মধ্যপাড়া) গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে শফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। এতে দেনমোহর করা হয় ৪ লাখ টাকা। তাদের দাম্পত্য জীবনে প্রায় আড়াই বছর পার হওয়ার পর প্রায় তিন মাস আগে পারভীনকে তালাক দেয়। তবে তালাক দেওয়া হলেও ওই দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করেনি শফিকুল ইসলাম।

Advertisement

একপর্যায়ে জামালপুর ইউনিয়নের পাতিল্যাকুড়া-চকদাড়িয়া (উত্তরপাড়া) গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হয় শফিকুলের। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে শফিকুল ইসলাম তার লোকজন নিয়ে এই দ্বিতীয় বিয়ে করতে মাইক্রোযোগে রওনা হয়। পথে ফকিরপাড়া নামক স্থানে পৌঁছালে সাবেক স্ত্রী পারভীন ও তার লোকজন লাঠি নিয়ে হামলা করে। এ সময় শফিকুল ও তার লোকজনকে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করেন তারা। এতে এই বরপক্ষের অন্তত তিনজন আহত হন। খরব পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শফিকুলকে উদ্ধার করে থানা নিয়ে যায় পুলিশ।

পারভীন খাতুন বলেন, শফিকুল ইসলাম আমাকে বিয়ে করে আড়াই বছর সংসার করার পর তালাক দিয়েছে। এই তালাকের প্রায় তিন মাস হলেও আমার দেনমোহরের টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এই টাকা না দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার পথে শফিকুলকে পথরোধ করা হয়।

রসুলপুর ইউপি সদস্য ছাপের আলী বলেন, সাবেক স্ত্রী পারভীন তার দেনমোহরের দাবিতে শফিকুলকে পথরোধ করেছে বলে শুনেছি।

সাদুল্লাপুর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বর শফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে থানা নেয়া হয়। বরসহ অপর আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!