এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন ইউএনও মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর ও সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. মোতালেব হোসেন ও পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর সদস্যরা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের সবাইকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর।
আটককৃত শ্রমিকেরা হলেন- মো. আলামিন (৩৩), মো. হাতেম আলী (২৩), রবি দাস (৪৯), মো. মোস্তফা (৫৩), মো. আবুল কালাম আজাদ (২৪), মো. ওয়াসিম (৩০), মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৪), মো. মোফাজ্জল হোসেন (২৪), মো. মামুন হোসেন, মো. জুয়েল মিয়া (২৬), প্রাণতোষ (২০), মো. আনাস (২০), মো. হৃদয় হাসান (১৯) ও মো. হাফিজুর রহমান (২৫)। তারা সবাই দুর্গাপুরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
.png)
দুর্গাপুর থানার ওসি মো. বাচ্চু মিয়া জানান, ১৪ জন শ্রমিককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে প্রত্যেকেই সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত।
ইউএনও মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর বলেন, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে এমন তথ্যের ভিত্তিতে সোমেশ্বরী নদীর তিনটি স্পটে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় নদী থেকে অবৈধ পন্থায় উত্তোলন করে বস্তায় বালু ভর্তি করার সময় হাতেনাতে ১৪ জন শ্রমিককে আটক করা হয়। পরে প্রত্যেককে সাতদিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ বছর ধরে সোমেশ্বরী নদীতে অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের কারণে নদীর ভূগর্ভস্থ ও আশপাশের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদী রক্ষা এবং নদীর তীর রক্ষায় বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলার রিট পিটিশন মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশে চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল থেকে সোমেশ্বরী নদীর পাঁচটি বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলন ও সরকারি ইজারা প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে।