মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গ্রাহক মোস্তফা মিয়া, আমির হোসেন, শাহ আলম, জয়নাল আবেদীন, আছিয়া বেগম ও শান্তা আক্তার প্রমুখ।
জানা যায়, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের সেকেরহাট এলাকায় সমবায় কার্যালয় থেকে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে ২০০৮ সালে আলো মাল্টিপারপাস লিমিটেড নামের একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। রেজিস্ট্রেশন নেয়ার পর থেকে পরিচালক ও স্থানীয় বাসিন্দা ফারুকুল ইসলাম শাহিন, এমরান হোসেন মুকুল ও কামাল হোসেন ঋণদান কার্যক্রম শুরু করেন। পাশাপাশি এ প্রতিষ্ঠানে প্রায় তিন শতাধিক গ্রাহক প্রায় ৭ কোটি টাকা আমানত হিসেবে জমা রাখেন। গত এক মাস ধরে তাদের অফিস কার্যক্রম বন্ধ পাওয়া যায় এবং অভিযুক্ত তিনজন পালিয়ে গেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। গ্রাহকরা তাদের টাকা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন মানুষের কাছে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
.png)
গ্রাহক আমির হোসেন বলেন, আলো মাল্টিপারপাস লিমিটেডের তিন পরিচালক গ্রাহকদের প্রায় ৭ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যান। এক পর্যায়ে স্থানীয় কয়েকজন তাদের বিভিন্ন স্থান থেকে ধরে নিয়ে আসেন। পরে তিনজনকে জিম্মি করে গ্রাহকদের টাকায় কেনা বাড়ি, জমি দখল করে নেয়া হয়। পুনরায় তারা পালিয়ে যান। দ্রুত টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।
আলো মাল্টিপারপাস লিমিটেডের পরিচালক ফারুকুল ইসলাম শাহিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গ্রাহদের আমানতের টাকা বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করা হয়েছে। নগদ টাকা বর্তমানে হাতে না থাকায় আমাদের এ দুরবস্থা হয়েছে। তাছাড়া গ্রাহকের লভ্যাংশের টাকা ফেরত দিতে গিয়ে আমাদের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের টাকায় কেনা দ্বিতল ভবনের জমিসহ তিনটি জমি আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক লিখে নিয়েছে। গ্রাহকরা আমাদের মারধর করার কারণে আত্মগোপনে রয়েছি। দ্রুত গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, গ্রাহকদের টাকার ফেরত পাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। স্থানীয় গণ্যমান্যদের নিয়ে গ্রাহকদের টাকা ফেরত পেতে সহযোগিতা করা হবে।