নিহত নিলুফা বেগম কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার নৈয়ার বাজারের মৃত গণি মিয়ার স্ত্রী। বর্তমানে তিনি ফতুল্লা থানার গাবতলী নতুন বাজারস্থ হালিম মিস্ত্রীর বাড়িতে একাই ভাড়ায় বসবাস করতেন এবং মাসদাইরস্থ সুমন গার্মেন্টসে কাটিং সেকশনে কাজ করতেন।
আটককৃত শান্ত কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার অনন্তপুর পশ্চিমপাড়ার শামীম মিয়ার পুত্র।
.png)
নিহতের পুত্র নাছির জানায়, তার মা ওই বাড়িতে একাই ভাড়ায় বসবাস করতেন এবং স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে কাটিং সেকশনে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। সোমবার ভোর ৫টার দিকে তার মা নিলুফা বেগম রান্নাঘরে রান্নার সময় দেখতে পান শান্ত নামে ওই যুবক তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে জানালার গ্লাস ভাঙচুর শুরু করেন। এতে তার মা বাধা প্রধান করলে শান্ত ক্ষিপ্ত হয়ে তার সঙ্গে থাকা লাঠি দিয়ে নিলুফার মাথায় ও শরীরে আঘাত করেন। এ সময় নারীর ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরিফুল ইসলাম জানান, নিলুফা বেগমকে কেন হত্যা করা হয়েছে তা তদন্ত করা হচ্ছে। আটককৃত যুবক কোন কারণে ওই বাসায় গিয়ে ভাঙচুর করছিলেন সে বিষয়ে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। আটককৃত শান্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীনের মতো আচরণ করছেন। যতোটুকু জানতে পেরেছি শান্ত মতিঝিলস্থ দেওয়ানবাগ দরবারের উট খামারে কাজ করেন।