জেলেরা জানান, প্রতিবছর এমন সময় নদীতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ত। অথচ নদীতে এখন দেখা মিলছে না রুপালী ইলিশের। প্রতিদিন নদীতে মাছ ধরতে যেতে নৌকা ভেদে তাদের খরচ হয় ১২শ’ থেকে ১৩শ’ টাকা। কিন্তু তাদের মজুরিসহ খরচের টাকার মাছ পান না তারা। এতে আর্থিক সংকটে পড়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে দিনযাপন করছেন জেলেরা।
আবার কোনো কোনো জেলে জানান, অভিযানের আগে ইলিশ মাছ পেলেও গত ৩ নভেম্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দেখা পাননি ইলিশের। শূন্য হাতে তারা ফিরে এসেছেন। সামুদ্রিক অন্যান্য মাছে তাদের খরচ পোষায় না।
.png)
এদিকে মৎস্য ব্যবসায়ী ও আড়ৎদাররা জানান, ভরা মৌসুমে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের মতিরহাট, লুধুয়া ঘাট, রামগতির বড়খেরী ও সদর উপজেলার মজু চৌধুরীর হাটসহ জেলার বিভিন্ন মাছ ঘাটগুলোতে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ইলিশ কেনা-বেচা হতো। কিন্তু জেলেরা মাছ না পাওয়ায় তা এখন নেমে এসেছে হাজারে। এতে করে জেলেদের পাশাপাশি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মৎস্য ব্যবসায়ী ও আড়তদাররা।
জেলা মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, ইলিশ একটি বিচিত্র মাছ। এটি কখনো নদীতে, কখনো উপকূলে, কখনো সাগরে বিচরণ করে। জুন-জুলাই মাসে বৃষ্টিপাত হলে জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশার কথা শোনান তিনি। লক্ষ্মীপুরে নিবন্ধিত জেলে ৩৮ হাজার ৭শত ৩৬ জন। তবে বেসরকারি হিসাবে মোট জেলের সংখ্যা ৬৫ হাজার।