বুধবার ভোর রাত আড়াইটায় উপজেলা সদরের বিষ্ণপুর (ছোটপুল রেল গেটের দক্ষিণ পাশে) রেললাইন সংলগ্ন বরবড়িয়া এলাকায় সিরাজুল ইসলামের খামারে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ৮-১০ জনের একটি চোরের দল খামার থেকে ১০ লাখ টাকা মূল্যের ৭টি গরু চুরি করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সিরাজুলের ছেলে আব্দুস সালাম (২৬) বাদী হয়ে রাণীনগর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন।
.png)
এদিকে এ ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার মানুষের মাঝে চুরি আতঙ্ক বিরাজ করছে। কেউ কেউ এটিকে একপ্রকার ডাকাতি বলে মন্তব্য করছেন। ফলে ভীতিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
খামারের মালিক সিরাজুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই খামারে গরু লালন-পালন করে আসছিলাম। খামারে ছোট-বড় মিলে ৮টি বিদেশি জাতের গরু ছিল। মঙ্গলবার রাতে গরুগুলোকে খাবার দিয়ে খামারের পাশের ঘরে ঘুমিয়ে পড়ি। রাত আনুমানিক ২টার দিকে থানা পুলিশের পরিচয়ে আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। পুলিশ পরিচয় দেওয়ার কারণে আমি দরজা খুলে দিই। কিন্তু কিছু বোঝার আগেই দরজা খোলা মাত্রই তিনজন মিলে আমাকে ঘরের মেঝেতে ফেলে দড়ি-গামছা দিয়ে চোখ, মুখ ও হাত-পা বেঁধে অস্ত্র পিস্তল ও ছুরির মুখে জিম্মি করেন। এরপর চোরের দল খামারের দরজা খুলে বিদেশি জাতের বড় তিনটি গাভি ও ৪টি বাছুর চুরি করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আমরা বুধবার সকালে রাণীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
অভিযোগকারী আব্দুস সালাম জানান, রাণীনগর রেলসংলগ্ন বড়বড়িয়া গ্রামের রাস্তা পাশে আমাদের একটি গরুর খামার আছে। ওই খামারে আটটি গরু ছিল। প্রতিদিন খামারটি আমি ও আমার বাবা দেখাশোনা করতাম। খামার থেকে আমাদের বাড়ি একটু দূরে হওয়ায় প্রায় প্রতিদিন বাবাকে রেখে আমি সন্ধ্যার দিকে বাড়িতে চলে আসি। কিন্তু সকালে গিয়ে জানতে পারি আমার বাবাকে অস্ত্রের মুখে হাত-পা বেঁধে খামার থেকে ৪টি বাছুর ও ৩টি গাভি কে বা কাহারা চুরি করে নিয়ে যায়। এতে আমরাসহ স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। আমরা দ্রুত গরুগুলো উদ্ধারের জন্য পুলিশের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে রাণীনগর থানার ওসি মো. তারিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং গরুগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।