ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]
নির্যাতনের অভিযোগ

সরকারি শিশু পরিবার থেকে রিজভী নিখোঁজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:২৪, ৯ নভেম্বর ২০২৪
সরকারি শিশু পরিবার থেকে রিজভী নিখোঁজ
নিখোঁজ রাইহান হোসেন ওরফে রিজভী। ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় সরকারি শিশু পরিবার (বালক) থেকে রাইহান হোসেন ওরফে রিজভী নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজের ছয়দিন পেরিয়ে গেলেও এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনকে জানাননি সমাজসেবা কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তারা।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সহপাঠী রিজভীর সন্ধানের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে সেখানে অধ্যায়নরত আবাসিক শিশুরা। তারা শারীরিক নির্যাতন ও খাবার কম দেওয়াসহ নানা অভিযোগ করে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের কাছে। বিক্ষোভের মুখে উপ-তত্ত্বাবধায়ক আসাদুজ্জামান ও সহকারী তত্ত্বাবধায়ক ইলিয়াস হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়েছে পুলিশ।

উপ-তত্ত্বাবধায়ক মো. আসাদুজ্জামান জানান, গত ২ নভেম্বর রিজভী ও নাহিদ নামে দুই শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের প্রধান গেট দিয়ে বের হয়ে যায়। এরপর তাদের সন্ধান না পেয়ে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে গত ৪ নভেম্বর থানায় জিডি করা হয়। শিশুদের ওপর শারীরিক নির্যাতনে সবচেয়ে বেশি আসে ইলিয়াস হোসেনের নাম। তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করলেও নাহিদকে মারধরের কথা স্বীকার করেন।

Advertisement

সহকারী তত্ত্বাবধায়ক ইলিয়াস বলেন, নাহিদ যেহেতু রাইহানের সঙ্গে গিয়েছিল এবং পরে ফিরে এসেছে, তাই তার কাছ থেকে সত্য তথ্য জানতে মারধর করা হয়েছে। এ জন্য আমি একা দায়ী নই। পরে পুলিশ শিশুদের বিক্ষোভের মুখে শুক্রবার রাতে আসাদুজ্জামান ও ইলিয়াসকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ বলেন, আমরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের নিয়ে যাচ্ছি। বিস্তারিত পরে জানাতে পারব।

রিজভীর মামা লোকমান হোসেন বলেন, গত ৪ নভেম্বর খুলনা থেকে একটা কল আসে মোবাইলে। তারা আমাকে জানায় ট্রেনের মধ্যে রিজভীর ব্যাগ পাওয়া গেছে। এরপর আমরা উপ-তত্ত্বাবধায়ক আসাদুজ্জামানকে জানাই। পরে আমাদের চাপে তিনি থানায় জিডি করেছেন। আমরা দ্রুত রিজভীর সন্ধান চাই।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবদুল ওয়াদুদ বলেন, বিক্ষোভের বিষয়টি জানার পরপরই সেখানে গিয়ে সবকিছু শুনেছি। আপাতত দুই কর্মকর্তাকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!